বাংলাদেশে স্টারলিংকের ইন্টারনেট বিপ্লবের নতুন দিগন্ত
প্রকাশঃ
স্টারলিংক বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল সংযোগের এক নতুন যুগের সূচনা করতে চলেছে। এটি বাংলাদেশের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে পারে। সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ করেছেন যে স্টারলিংক চালু হওয়ার ফলে দেশে ইন্টারনেট পরিষেবা উন্নত হবে। ফলস্বরূপ, উচ্চ-গতির ইন্টারনেট অ্যাক্সেস প্রতিটি গ্রাম, দ্বীপ এবং প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে প্রসারিত হবে।
ডঃ ইউনূস আত্মবিশ্বাসী যে স্টারলিংক চালু হওয়ার সাথে সাথে, কোনও সরকার ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত করতে বা নাগরিকদের তথ্য সীমাবদ্ধ করতে সক্ষম হবে না। এই স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা বিশ্বজুড়ে অবিচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করতে পারে। অতএব, নাগরিকদের জন্য তথ্য প্রবাহ আর বাধার সম্মুখীন হবে না।
স্টারলিংকের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যের উচ্চ-গতির ইন্টারনেট বাংলাদেশের ডিজিটাল দৃশ্যপটে বিপ্লব ঘটাবে। এটি দেশের প্রতিটি অংশে বিশ্বমানের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করবে। তরুণ জনগোষ্ঠী বিশ্বব্যাপী যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনে শেখার সুযোগ পাবে, যা তাদের বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে তিনি স্টারলিংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্পেসএক্স এবং টেসলার মালিক একজন বিশিষ্ট বিলিয়নেয়ার এলন মাস্কের সাথে ফোনে আলোচনা করেছেন। সেই আলোচনার পর, স্টারলিংক বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে কোম্পানির সাথে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকার 'যুব উদ্যোক্তা নীতি ২০২৫' তৈরি করেছে, যার লক্ষ্য তরুণদের ক্ষমতায়ন করা। এই নীতি আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে তরুণ উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দেবে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।
স্টারলিংকের আগমনের সাথে সাথে, বাংলাদেশ একটি নতুন ডিজিটাল যুগে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত। দেশের সবচেয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেট সংযোগের সমান অ্যাক্সেস নিশ্চিত করা হবে, যা সামগ্রিক জাতীয় অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করবে এবং নতুন সুযোগ উন্মোচন করবে।